প্রথম পাতা

এ সংখ্যার সূচীপত্র

মদীনা পাবলিকেনস

মসিক মদীনা পেতে হলে

যোগাযোগ

 

প্রশ্ন করেছেন

ডা. এম মতিন
হালিশহর, চট্টগ্রাম

 

প্রশ্ন

বিভিন্ন সময় আলেমদের কাছে শুনে আসছি যে, হযরত আলী রা.-এর সাথে কোন এক যুদ্ধে জনৈক কাফেরের সংঘর্ষ হলে কাফের হযরত আলী রা.-এর উপর প্রথম আক্রমণ করলে তিনি প্রতিহত করে পাল্টা আক্রমণ করে তাকে মাটিতে শোয়ায়ে ফেলে তার বুকের উপর চেপে বসে হত্যা করতে উদ্যত হন সে তৎক্ষণাৎ আলী রা.-এর মুখে থুথু নিক্ষেপ করলে তখন তিনি তাকে হত্যা না করে ছেড়ে দেন
এখন আমার জিজ্ঞাসা হল, এটা কি কোন হাদিসে বর্ণিত ঘটনা, নাকি ইতিহাস? যাই হোক যদি হাদিসের বর্ণনা হয় তাহলে কোন হাদিসে কিভাবে বর্ণিত? পূর্ণ হাওয়ালাসহ জওয়াব প্রদানের অনুরোধ রইল

উত্তর

বিষয়টি হাদিসের কোন কিতাবে আমরা দেখতে পাইনি ইতিহাস গ্রন্থের বর্ণনায় কাহিনী রয়েছে


  
প্রশ্ন করেছেন

রেজাউল করীম
দক্ষিণ খান, ঢাকা

প্রশ্ন

হজ করতে গিয়ে বেশি বেশি ওমরা করতে গিয়ে বারবার মাথা মুণ্ডানোর যে প্রয়োজন পড়ে এতে মাথায় চুল থাকে না বললেই হয় সেপ মেশিন দিয়ে তওয়াফ শেষে নিজে নিজে মাথা চাঁছলে চলবে কিনা?

উত্তর

বারবার মাথা মুণ্ডনের কারণে যদি কোন এহরামকারীর মাথায় চুল না থাকে তবুও তাকে এহরাম ছাড়ার সময় মুণ্ডিত মাথায়ই ক্ষুর বা মুণ্ডন করার যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে এটা নিজের হাতে করে নেওয়াতেও কোন দোষ নেই


  
প্রশ্ন করেছেন

এম রহমান
ইংল্যান্ড

প্রশ্ন

কুরআন হাদিসের আলোকে মুমিন কাকে বলে? বিস্তারিত জানতে চাই

উত্তর

মুমিন ঈমান শব্দ থেকে বুৎপন্ন ঈমান অর্থ মানুষের পঞ্চইন্দ্রিয় গ্রাহ্য নয় এমন বিষয় মনে প্রাণে সত্য বলে বিশ্বাস করা হযরত নবী-রাসূলগণ কিছু পরম সত্য সম্পর্কে মানব জাতিকে অবহিত করে গেছেন, যা মানুষের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয় যেমন একজন সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব, তার পক্ষ থেকে প্রেরিত কিতাব, ফেরেশতা মৃতু্য-পরবর্তী জীবন, জান্নাত-জাহান্নাম ইত্যাদি সম্পর্কে শুধুমাত্র নবী-রাসূলগণের প্রদত্ত সংবাদের উপর ভিত্তি করেই বিশ্বাস স্থাপন করা হয় এই বিশ্বাসকেই পরিভাষায় ঈমান বলা হয়


  
প্রশ্ন করেছেন

নাম ঠিকানা উল্লেখ নেই
জনৈক পাঠক

প্রশ্ন

গোনাহের কাজ জানা সত্ত্বেও শয়তানের প্ররোচনায় বা ধোঁকায় পড়ে কেউ যদি যিনার মত খারাপ কাজ করে ফেলে তবে ক্ষমা লাভের আশায় আল্লাহর নিকট কিভাবে তওবা করবে বা ক্ষমা চাইবে?
খাছ দিলে তওবা করলে কি আল্লাহ তায়ালা বান্দার গোনাহ মাফ করে দেন? বিস্তারিত জানতে চাই

উত্তর

আল্লাহপাক বান্দার সকল গোনাহ মাফ করে দেন একমাত্র শেরেকি এবং অন্যের হক তছরূপ করার গোনাহ ছাড়া এই অপরাধ আর কখনও করব না মর্মে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইলেই তওবা হয়ে যাবে


  
প্রশ্ন করেছেন

মিসেস আলেয়া বেগম
পূর্ববারান্দিপাড়া, যশোর

প্রশ্ন

অজু নাই এমন অবস্থায় দেখা গেল জানাযা শুরু হয়েছে অজু করতে গেলে জানাযা শেষ হয়ে যাবে এমতাবস্থায় করণীয় কি? বিনা অজুতে জানাযায় শরীক হওয়া, নাকি ছেড়ে দেওয়া?

উত্তর

বর্ণিত অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে তায়াম্মুম করে জানাযার নামাজে শামিল হওয়া যেতে পারে


  
প্রশ্ন করেছেন

মুহা. আমিনুল ইসলাম
খাদিমনগর, সিলেট

প্রশ্ন

উরুস কি? এর উৎপত্তি কখন হয়েছে? কুরআন হাদিসের আলোকে বিস্তাতির জানতে চাই

উত্তর

'উরুস' শীর্ষক কোন শব্দ বা অনুষ্ঠানের কথা কুরআন, হাদিস, ফেকাহ এমনকি তাসাওফের কোন কিতাবে পাওয়া যায় না অভিধানে শব্দটির অর্থ লেখা হয়েছে, নতুন বর-বধূর মধুচন্দ্রিমা বা বাসর রাত্রি উদযাপন দীনি কোন অনুষ্ঠানের সাথে শব্দটির আদৌ কোন সম্পর্ক আছে কিনা, তা আমার জানা নাই


  
প্রশ্ন করেছেন

মুহা. তওহীদুল ইসলাম
খাদিমনগর, সিলেট

প্রশ্ন

আমরা জানি যে, বেনামাজীর সাথে বসে আহার করলে সত্তর বছরের এবাদত নষ্ট হয় এরকম ঘটনা সব ঈমানদার বান্দার জীবনে ঘটছে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই

উত্তর

কোন হাদিস, তফসীর বা ফেকাহর কিতাবে এরূপ কথা আছে কিনা আমার জনা নাই বে-নামাজীদের সাথে মেলামেশা করার প্রতি নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা বুযুর্গানে দীনের বক্তব্যে পাওয়া যায় তবে এরূপ কঠিন বক্তব্য আমি পাইনি


  
প্রশ্ন করেছেন

মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান
লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী

প্রশ্ন

আমার স্থায়ী ঠিকানা কুড়িগ্রাম জেলায় এবং পরিবার সেখানেই অবস্থান করে আমি একজন চাকরিজীবি বদলী সূত্রে বর্তমানে রাজশাহীতে কর্মরত কুড়িগ্রাম থেকে প্রতি শনিবার পাঁচ দিনের নিয়তে রাজশাহীতে আসি এবং বৃহস্পতিবার রাতে কুড়িগ্রামের বাড়ীতে যাই প্রশ্ন হলো, জামাত ছাড়া একাকী ফরজ নামাজ পড়লে রাজশাহীতে জোহর, আছর ইশা কসর পড়তে হবে নাকি পুরা চার রাকাতই পড়তে হবে? এছাড়া এই দুই জায়গায় চলাচলের রাস্তায় কত রাকাত নামাজ পড়তে হবে? উল্লেখ্য যে, কুড়িগ্রাম থেকে রাজশাহীর দূরত্ব প্রায় ২৮০ কি.মি.

উত্তর

একজন কর্মজীবি মানুষ যদি নিজের বাসস্থান থেকে সফর পরিমাণ দূরে স্বীয় কর্মস্থলে অবস্থান করে তখন সেখানে ব্যক্তি মুকীম হিসাবেই বিবেচিত হবেন কর্মস্থলে যোগদানই তার একামতের নিয়ত হিসাবে বিবেচিত হবে সুতরাং কর্মস্থলে অবস্থানকালে তাকে নামাজ কসর না পড়ে পুরা নামাজ পড়তে হবে আর বাড়ী বা কর্মস্থলে যাতায়াতের পথে তিনি কসর পড়বেন যাদের মনে ওয়াসওয়াসা থাকে, তাদের জন্য মুফতি সাহেবানের পরামর্শ হচ্ছে, কর্মস্থলে যোগদান করে মনে মনে একামতের নিয়ত করা এবং প্রথম দিকে একবার একটানা পনের দিন কর্মস্থলে অবস্থান করা তারপর থেকে তিনি যদি নিতান্ত অল্প সময়ের জন্যও কর্মস্থলে অবস্থান করেন তবুও তিনি দ্বিধাহীন চিত্তে পূর্ণ নামাজ আদায় করতে পারবেন


  
প্রশ্ন করেছেন

প্রফেসর ডা. মহিউদ্দীন সরকার
টেলিফোন শিল্প সংস্থা, টঙ্গী

প্রশ্ন

পৃথিবীতে সর্বযুগেই বিকলাঙ্গ প্রতিবন্ধী মানব সন্তানের জন্ম হয়েছে যেমন, বোবা, লেংড়া, আতুড়, অন্ধ আবার কেউ বা পার্থিব জগতে এসে রোগ শোকে এবং দুর্ঘটনায় পড়ে এরূপ হয়েছেন আমার প্রশ্ন হলো, উভয় রকমের প্রতিবন্ধীরা হাশরের দিন কি অবস্থায় থাকবেন? তাদের পাপ-পূণ্যের হিসাবে কি প্রতিবন্ধী হিসাবে হ্রাস-বৃদ্ধি করা হবে? শরীয়তের আলোকে তা জানতে চাই

উত্তর

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তায়ালা কোন মানুষকেই তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা দেন না সে কারণে যারা জন্মগতভাবে মাজুর বা রোগ শোকে স্বাভাবিক চলা ফেরায় অপারগ, তাদের জন্য আল্লাহর হুকুম ততটুকুই প্রযোজ্য, যতটুকু তার সাধ্যের মধ্যে রয়েছে যেটুকু তার সাধ্যের বাইরে, সেটুকু আল্লাহপাক ক্ষমা করে দিবেন শুধু তাই নয়, প্রতিবন্ধী হয়েও যারা আল্লাহর শুকুর আদায় করে, আল্লাহপাক তাদেরকে অচিন্ত্যনীয় পুরস্কারে ভূষিত করবেন


  
প্রশ্ন করেছেন

আল মাহমুদ
ময়মনসিংহ

প্রশ্ন

সাবান তৈরির উপাদানের মধ্যে চর্বি একটি প্রধান উপাদান এই চর্বি দু'ধরনের হয়ে থাকে_ প্রাণীজ উদ্ভিজ ইহুদি-খ্রিষ্টানদের প্রস্তুতকৃত সাবানে প্রাণীজ তথা শূকর মৃতপ্রাণীর চর্বি বিনা দ্বিধায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে এমতাবস্থায় মুসলমানদের জন্য এসব সাবান দ্বারা কাপড় কাচা বা গোসল করা জায়েয হবে কিনা?

উত্তর

সাবান তৈরিতে ব্যবহারের পর হারাম চর্বি বা অন্যান্য সন্দেহজনক উপাদান আর নিজের সত্তা নিয়ে টিকে থাকে না, পরন্তু কাপড় কাচা বা শরীরে মাখার পর ধৌত করে সাবানের উপাদান কাপড় বা শরীরে অবশিষ্ট থাকে না কারণে ফেকাহবিদগণ হারাম উপাদান দ্বারা প্রস্তুতকৃত সাবান হারাম বলেন না তবে মকরূহ তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই যদি হালাল উপাদানে তৈরি সাবান পাওয়া যায়, তাহলে হারাম উপাদান মিশ্রিত সাবান ব্যবহার করা ঠিক হবে না (ফাতাওয়ায়ে-মাহমুদিয়া)


  
প্রশ্ন করেছেন

আয়েশা আফরোজ
হাউজিং এস্টেট, সিলেট

প্রশ্ন

অনেকে বলেন, ইসলামী ব্যাংকগুলো সুদকেই ঘুরিয়ে মুনাফা বলে থাকে সাধারণ ব্যাংকের সুদ এবং ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার মধ্যকার পার্থক্যটা ব্যাখ্যা করলে উপকৃত হবো

উত্তর

সাধারণ ব্যাংকগুলো অর্থ ঋণ দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ বা সুদ গ্রহণ করে কিন্তু ইসলামী নিয়মে পরিচালিত ব্যাংকগুলি অর্থলগ্নী করে না অর্থ বিনিয়োগ করে এবং বিনিয়োগে যে লাভ হয়, তারই একটি অংশ গ্রহণ করে সুতরাং সাধারণ ব্যাংক এবং ইসলামী নিয়মে পরিচালিত ব্যাংককে একই কাতারে দাঁড় করানো মোটেই ঠিক হবে না ইসলামী ব্যাংকের মূলনীতি হচ্ছে, আল্লাহপাক ব্যবসা-বাণিজ্য হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন সুতরাং ব্যবসার ভিত্তিতে লেন-দেন হতে হবে, সুদের ভিত্তিতে কখনও নয়


  
প্রশ্ন করেছেন

এম এহসান আলী
বড়গাছীহাট, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

প্রশ্ন

একজন মহিলা রমজানের কয়েকদিন পূর্বে জন্মনিয়ন্ত্রক পিল বা বড়ি খেয়ে বা অন্য কোন ঔষধ সেবনে কৃত্রিমভাবে ঋতুস্রাব বন্ধ করে যদি রমজানের পূর্ণ রোজাই করতে সক্ষম হয় তবে শরীয়তে কোন বাধা আছে কি? পূর্ণ রমজানের সিয়ামের পূর্ণ ফজিলত সে মহিলা পাবে কি?

উত্তর

স্বাভাবিকভাবেই হোক বা কৃত্রিম উপায়েই হোক, ঋতুস্রাব বন্ধ থাকলে সংশ্লিষ্ট মহিলাকে রোজা রাখতে হবে তবে আল্লাহপাক যে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেননি, নিজের পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করলে অতিরিক্ত ফজিলত লাভ করা যাবে কিনা, তা বলা মুশকিল স্মরণ রাখতে হবে যে, বরকত এবং ফজিলতপূর্ণ এবাদত সেটুকুই, যা পবিত্র কুরআন বা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নায় উল্লেখিত হয়েছে


  
Google

সম্পাদক মণ্ডলী

সম্পাদক ঃ
মুহিউদ্দীন খান

সহকারী সম্পাদক ঃ
আহমদ বদরুদ্দীন খান


এ সংখ্যার দর্শক
Free Web Counter

 

A Whole heartily prayer
FOR THE CONTRIBUTE AND PROVIDER
Of new & tribal Muslims


Taohid Mission



© Mashik Madina. 2008
All Rights Reserved.